আমার পুতুল

আমার পুতুল
মানবের ভিড়ে আমি একলা...
Showing posts with label রচনা. Show all posts
Showing posts with label রচনা. Show all posts

Sunday, April 12, 2015

হ্যামেলিনের ইঁদুরঃ সত্য বনাম হাজার বছরের বাঙ্গালি সংস্কৃতি

আমার পুরো লেখাটার ফাইন্ডিংস আসলে এই, পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নামে যেই আচার-পার্বণগুলোকে হাজার বছরের বাঙ্গালি সংস্কৃতির অংশ বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে সেটা একেবারেই প্রতারনামূলক এবং শঠতাপুর্ন। সম্রাট আকবর প্রবর্তিত বাংলা সনের সাথে এগুলোর কোন সম্পর্ক নেই। ঘটা করে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের সংস্কৃতির বয়স পঞ্চাশ বছরেরও কম। এই ব্যাপারগুলো বিস্তারিত জানার আগ্রহ থাকলে ধৈর্য নিয়ে পুরো লেখাটা পড়বেন।

Tuesday, January 20, 2015

প্রসঙ্গঃ আদম ও হাওয়া (আঃ) এবং তাঁদের ব্যাপারে সমাজে প্রচলিত তিনটা ভুল ধারনা

১। ফলের নাম কি 'গন্দম' ছিল?

আমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত একটি কথা - আদম এবং হাওয়া (আঃ) ‘গন্দম’ গাছের ফল খেয়েছিলেন।

কথাটি পুরোপুরি সত্যি নয়। কুরআন কিংবা সহীহ হাদিসের কোথাও এই গন্দম নামক ফল বা গাছের কথা উল্লেখ নেই।
মূলকথা, আদম ও হাওয়া (আঃ) কে আল্লাহ বিশেষ একটি গাছের নিকটবর্তী হতে নিষেধ করেন। পরবর্তীতে তাঁরা শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে সেই গাছের নিকটবর্তী হয়েছিলেন এবং সেই গাছের ফল খেয়েছিলেন। তবে কী ছিল সেই ফল কিংবা গাছটির নাম - এই ব্যাপারে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল কিছুই বলেননি আমাদেরকে।

২। শুধু হাওয়া (আঃ) কি দায়ী?

সমাজে বহুল প্রচলিত আরেকটি ভুল ধারনা - আদম (আঃ) কে হাওয়া (আঃ) নিজে সেই বিশেষ গাছের ফল খেতে দিয়েছিলেন।

হাওয়া (আঃ) কি সত্যিই আদম (আঃ) কে সেই বিশেষ গাছের ফল খেতে দিয়েছিলেন? চলুন দেখি নেই, পবিত্র কুরআনে কি আছে এই ব্যাপারেঃ

“হে আদম তুমি এবং তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর। অতঃপর সেখান থেকে যা ইচ্ছা খাও তবে এ বৃক্ষের কাছে যেয়োনা, তাহলে তোমরা গুনাহগার হয়ে যাবে। অতঃপর শয়তান উভয়কে প্ররোচিত করল, যাতে তাদের অঙ্গ, যা তাদের কাছে গোপন ছিল, তাদের সামনে প্রকাশ করে দেয়। সে বললঃ তোমাদের পালনকর্তা তোমাদেরকে এ বৃক্ষ থেকে নিষেধ করেননি; তবে তা এ কারণে যে, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও-কিংবা হয়ে যাও চিরকাল বসবাসকারী। সে তাদের কাছে কসম খেয়ে বললঃ আমি অবশ্যই তোমাদের হিতাকাঙ্খী। অতঃপর প্রতারণাপূর্বক তাদেরকে সম্মত করে ফেলল। অনন্তর যখন তারা বৃক্ষ আস্বাদন করল, তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের সামনে খুলে গেল এবং তারা নিজের উপর বেহেশতের পাতা জড়াতে লাগল। তাদের প্রতিপালক তাদেরকে ডেকে বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে এ বৃক্ষ থেকে নিষেধ করিনি এবং বলিনি যে, শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। তারা উভয়ে বললঃ হে আমাদের পালনকর্তা আমরা নিজেদের প্রতি জুলম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাব।”

[আল কুরআন, সূরা আল-আরাফ, আয়াত নং. ১৯-২৩]
পবিত্র কুরআনের কোথাও এই কথা উল্লেখ নেই যে হাওয়া-ই আদম (আঃ) কে সেই ফল খেতে দিয়েছিলেন। এ তো বরং ইয়াহুদি এবং খ্রিস্টানদের দৃঢ় বিশ্বাস যে সাপের সাহায্যে শয়তান হাওয়া (আঃ) কে প্ররোচিত করেছিল সেই গাছের ফলটি খেতে, নিজে খাওয়ার পর হাওয়া (আঃ) স্বয়ং তা আদম (আঃ) কে খেতে দিয়েছিলেন।

একবার চোখ বুলিয়ে দেখে নিন, বাইবেলের Old Testament-এ কীভাবে অপবাদ দেয়া হয়েছে আমাদের আদিমাতা হাওয়া (আঃ) এর ওপরঃ

“…সেই নারী (হাওয়া) দেখল গাছটা সুন্দর এবং এর ফল সুস্বাদু, আর এই ভেবে সে উত্তেজিত হল যে ঐ গাছ তাকে জ্ঞান দেবে। তাই নারী গাছটা থেকে ফল নিয়ে খেল। তার স্বামী (আদম) সেখানেই ছিল, তাই স্বামীকেও ফলের একটা টুকরো দিল আর স্বামীও সেটা খেল।”

[বাইবেল, জেনেসিস, ৩/৬]

“…আদম প্রভুকে বলল, আমার জন্য আপনি যে নারী তৈরি করেছিলেন, সেই নারী গাছটা থেকে আমায় ফল খেতে দিয়েছিল, তাই আমি সেটা খেয়েছি।”

[বাইবেল, জেনেসিস, ৩/১২]

“…(সেই অপরাধের কারনে) প্রভু নারীকে বললেন, ‘তুমি যখন গর্ভবতী হবে, সেই দশাটাকে আমি দুঃসহ করে তুলব, তুমি অসহ্য ব্যথাতে সন্তানের জন্ম দেবে। তুমি তোমার স্বামীকে আকুলভাবে কামনা করবে, কিন্তু সে তোমার ওপর কর্তৃত্ব করবে।’”

[বাইবেল, জেনেসিস, ৩/১৬]
কুরআনের কোথাও একতরফাভাবে হাওয়া (আঃ) কে দোষ দেয়া হয়নি। বরং আদম (আঃ) এবং হাওা (আঃ) দুজনকেই সমানভাবে তিরস্কার করা হয়েছে। কিংবা এটাও বলা হয়নি যে হাওয়া (আঃ) এর ভুলের কারনেই জান্নাত থেকে দুজনকে বিতাড়িত করা হয়েছিল বা হাওয়া (আঃ) আদম (আঃ)-কে বিপথে পরিচালিত করেছিলেন।

মূলকথা, আদম এবং হাওয়া (আঃ) দুজনেই সমান অপরাধ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন, আর আল্লাহ সুবহান ওয়া তায়ালা তাঁদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। আর গর্ভধারণের মত এত পবিত্র যাতনা কোন অবস্থাতেই মা দের ওপর আল্লাহ সুবহান ওয়া তায়ালার চাপিয়ে দেয়া শাস্তি হতে পারেনা।

৩। শয়তান কি সাপ ও ময়ূরের সাহায্য নিয়েছিল বা আকৃতি ধারন করেছিল?

শয়তান সাপ ও ময়ূরের সাহায্যে আদম এবং হাওয়া (আঃ)-কে সেই বিশেষ গাছের ফল খেতে প্ররোচিত করেছিলেন বলে সমাজে যেসব কথা প্রচলিত আছে, সেগুলো সবই বাইবেলের Old Testament-এর কথা, কুরআন কিংবা সহীহ হাদিসের নয়। এই ব্যাপারের জন্য জেনেসিস অধ্যায়ের ৩/১-৪ পড়ে দেখুন।

ইমাম ইবনে কাসিরের মতে, মুসলিম সমাজে প্রচলিত উপরের সব ঘটনাগুলো ইসরায়েলিদের বর্ননা থেকে প্রাপ্ত – এগুলোর ওপর বিশ্বাস করা যায়না।

আল্লাহু আলাম।

----------------

রেফারেন্সঃ

১. হাদীসের নামে জালিয়াতি

ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, PHD (Riyad), MA (Riyad)

সহযোগী অধ্যাপক, আল হাদীস বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

২. ইসলামে নারী বনাম ইয়াহুদি-খ্রিস্টান ধর্মে নারী

ড. শরীফ আব্দুল আযিম, PHD, (Canada)

Sunday, June 26, 2011

সাদা কাগজের লেখক হতে চাই



১.
আবারো ফেইসবুকে বসলাম। আচ্ছা মানুষ কিভাবে ফেইসবুকে বসে? নিজেকে জিজ্ঞেস করলাম। নিজেই জবাব দিলাম, আমি জানি না।


২.
আমি একটা চেয়ার কিনেছি। তার নাম দিয়েছি ফেইসবুক। আমি সেটাতে বসি। নিয়মিত বসি। আমি সব কাজ নিয়মিত করি। আমাকে ফেইসবুকে বসতে হয়। নাহলে রাত আর সকালের খাবার খেতে পারিনা। আমি চব্বিশ ঘন্টায় দুবার খাই, রাত আর সকালে। আমি আগে রাতের খাবার খাই, তারপর সকালে খাই। আমি দুপুর আর সন্ধ্যায় খাইনা। তখন সময় পাইনা। আমি তখন ধৈর্যশীল হবার প্রশিক্ষন নেই। প্রথমে কমপ্লিট স্যুট আর শ্যু পরি। গায়ে লেপ জড়িয়ে নেই। তারপর ফ্যান বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকি। গরমে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য ধৈর্যের প্রশিক্ষণ নেই। আরও একটা কারণ আছে। আমার বাবা বলেন, "My son, if you really want to be patient, try to become a patient at first, as soon as you can." ধৈর্যশীল যদি হতে চাও রোগী হও তবে। কথাটা খুব ভাল লেগেছিল। রোগী আর ধৈর্যশীল ব্যাক্তির মধ্যকার মিল আমি জানতাম। আমি তাঁর সে কথাটা মানার চেষ্টাই করি। প্রথম স্তরে উঠতে পেরেছি সেদিন। জ্বর এসেছিল। ঠান্ডা লেগেছিল। খুব ভাল লেগেছিল তাতে। আমি বুঝতে পেরেছিলাম, খুব দ্রুতই আমি ধৈর্যশীলতার চূড়ান্ত পর্যায়ে উঠতে যাচ্ছি। খুব দ্রুতই।


৩.
মা আমার জন্য একটা তাবিজ এনেছিলেন। বাসার কাজের বুয়া এনে দিয়েছিল। বুয়াটার নাম সখিনার মা। সে  প্রতিদিন দুপুরে ঘর মুছতে আসে। আমি তখন স্যুট পরে গায়ে লেপ জড়িয়ে বসে থাকি।  আমাদের বাড়িতে তিনটে ঘর। আমি তৃতীয় ঘরে থাকি। সখিনার মা সব ঘর মোছার পর আমার ঘরে আসে। আমি তাকে আগেই বলে দিয়েছি। ঘর মোছার সময় সে আমার দিকে তাকিয়ে  হাসে। দাঁত ভেঙচিয়ে হাসে। ভয়ঙ্কর হাসি। জিপসী বুড়িদের মত লাগে তাকে তখন। আমার ভয় পাওয়ার কথা। কিন্তু ভয় পাই না। আমি তখন একটা সুপার গ্লু এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। আমি সাধারণত এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করিনা। শুধু তখনই করি। আমাকে  তাবিজ পরিয়ে দেবার  জন্য মাকে ইন্ধন যুগিয়েছিল সে। আমার গলায় তাবিজ লটকাবার  জন্য মা আর সখিনার মা যুদ্ধ করেছিলেন। সে যুদ্ধে আমি মার্টার হয়েছিলাম। মা আর সখিনার মা  জিতে যায়। আমি তাবিজ পরেছিলাম। একপাশের মোমের প্রলেপ ছিল তাতে। বেশ ভাল করে পড়েছিলাম। খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে কাগজটা একদম বের করে পড়েছিলাম। সাদা কাগজ ছিল। তারপরও পড়তে পেরেছিলাম।



৪.
আমি সাদা কাগজ পড়তে পারি। সবাই পারে না। পড়ার মধ্যে আমার সবচেয়ে পছন্দের এটি। আমার পরম শ্রদ্ধেয়ভাজন এক শিক্ষক বলেছিলেন, "রিকশাওয়ালা আক্কাস মিয়া আর তুমি দুজনেই লেখা পড়তে পার। তবে তোমার মধ্যে স্বকীয়তা কোথায়? তুমি তারেক  হাসান তবে এক্সট্রা অর্ডিনারী হচ্ছো কোন দিক দিয়ে? তুমি কি সাদা কাগজ পড়তে পার? জানা আছে বিদ্যেটা?"
সেদিনই প্রথম  আমি সাদা কাগজ পড়বার ইচ্ছে বোধ করলাম। শিখেও ফেললাম কিভাবে পড়তে হয়। সাদা কাগজ পড়বার সব বিদ্যে স্যার শিখিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর সব বিদ্যে আমার মস্তিষ্কে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। ব্লুটুথের মাধ্যমে পাঠিয়েছিলেন। ব্লুটুথের মাধ্যমে ডাটা পাঠালেও আসল ডাটা থেকে যায়। ক্ষয় হয়না, শেষ হয়ে যায়না। স্যারের বিদ্যেও শেষ হয়নি।



৫.
মাহমুদ স্যার বাংলা পরীক্ষার খাতা দেখতেন। কলেজের নয়, কোচিংয়ের পরীক্ষার খাতা। সদা হাস্যজ্জল মানুষ ছিলেন। তার ভ্রু খুব পাতলা ছিল। তার ভ্রু কি তখন পরছিল না গজাচ্ছিল, তা দেখে বুঝতে পারতাম না। ভাবছি স্যারকে ফোন দিয়ে একদিন জিজ্ঞেস করবো। আমার খাতা দেখে তিঁনি খুব গম্ভীর হয়ে যেতেন। মুখে হাসিটা লেগে থাকত তারপরও। তখন তাকে মোনালিসার মত লাগত দেখতে।  অবশ্য পুরুষ মোনালিসা। আমার মত কোন এক ছাত্রের খাতা দেখতে গিয়ে বিষণ্ণ হাসি দিয়েছিলেন  হয়ত মোনালিসা। আচ্ছা মোনালিসা কি কারও শিক্ষিকা ছিলেন? এমন কি হতে পারে ভিঞ্চিই ছিলেন সেই ছাত্র? হলে হোক, তাতে  আমার কী। এতে মোনালিসার ভ্রু আর গজিয়ে উঠবে না। মাহমুদ স্যার একদিন আমার খাতা দেখা শেষে বলেছিলেন, "তারেক, তোমার ভবিষ্যত্‍ খুব উজ্জ্বল। তবে সেটা কোন শিক্ষা প্রতিষ্টানে নয়, তোমার বিবাহিত জীবনে। তুমি তোমার স্ত্রীর বিরক্তির কারন হবে না কখনও। আমি তোমার খাতা দেখেই বুঝতে পেরেছি যা বোঝার। একটা ছাত্রের খাতা দেখেই তার সাইকোলজি বুঝতে পারি আমি। তোমাকে ঈর্ষা বোধ করছি রীতিমত। কাশ, তোমার মত হতে পারতাম! তবে অপরচুনিটি পেলে কিন্তু ছাড়তাম না।  জানই তো, মায়ের পায়ের নিচে তোমার জান্নাত, আর স্ত্রীর পায়ের নিচে তোমার সংসারের জান্নাত। জানো না? " আমি স্যারের কথাগুলো অন্তর থেকে উপলব্ধি করতে পারছিলাম। মাথা ঝাকিয়ে বললাম "জ্বি স্যার, দুয়া করবেন। আপনার দুয়াই তো আমাকে আজ এই স্তরে উঠতে সাহায্য করেছে।"



৬.
সাদা কাগজ পড়বার তুলনায় লেখা খুব কঠিন। সাদা কাগজের পাঠক মাত্রই লেখক হতে পারেন না। আমি সাদা কাগজের লেখক হতে চাই। বেশ বড় লেখক। গেল সেমিস্টারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তখন থেকেই লেখক হবার চেষ্টা করছি। ফাইনাল পরীক্ষার খাতায় প্র্যাকটিস করেছি। অনেক বেশি করেছি। ফাইনাল পরীক্ষা থেকেই  আনুষ্ঠানিকতার শুরু। এর পিছনে কারণ ছিল। আমি স্যারদের প্রিয়মুখ হতে চাই। আমি তাঁদের কষ্ট চাইনা। তাঁরা কষ্ট করে শ্রম দিয়ে আমার খাতা দেখুক, আমি সেটা চাইনি। তারা আমাকে মনে রাখুক । আমিও তাদের মনে থাকতে চাই। আমি তার প্রমান দিতে চেয়েছি। গেল সেমিস্টারের রেসাল্টের অপেক্ষা করছি।






 --------------------------------------
লেখক পরিচিতি

 

হাসান, তারেক হাসান। পুরো নাম হাসান মোহাম্মাদ তারেক। দুটো ছাগল আল্লাহ পাকের রাহে কুরবানি করে আকিকা দিয়ে লেখকের বাবা-মা তার এই নাম রেখেছেন। তিনি পড়ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের, বিবিএ তে, ব্যাংকিং বিভাগে।  লেখাটি  তার সামহোয়্যার ইন ব্লগে প্রকাশিত হয়েছে। এটিই কোন ব্লগে তার প্রথম লিখা। ভাল লাগবে, এমন কোন কথা নেই। ভাল না লাগলে লেখক খুবই দুঃখিত। কারন তিনি কিছুই করতে পারবেন না আপনার জন্যে। এক্ষেত্রে  তার মন্তব্য:

আমি লিখি। নিজের জন্যই লিখি। আমাকে লিখতে হয়। না লিখলে মস্তিষ্ক বিদ্রোহ করে বসে, হাতগুলো নিশপিশ করে। তাই লিখি। কারও মনোরঞ্জন করবার উদ্দেশ্যে আমার লিখা নয়। আমার আগে প্রমথ চৌধুরী প্রথমে কথাটা পরিষ্কার ভাষায় বলে গেছেন।কাজেই মাইনাস দিয়ে আমার লিখাকে হেয় করবার সুযোগ নেই।

লেখক নিজের জন্যেই লেখেন।  ধন্যবাদ আপনাকে।